Nita Ambani Necklace: আমাদের দেশে যেখানে সাধারণ মানুষ একটি ছোট গয়না কেনার আগেও দশবার ভাবেন, অনেকে আবার মাসিক কিস্তি বা EMI-এর মাধ্যমে নিজেদের শখ পূরণ করেন, সেখানে এমন এক বাস্তবতার কথা শুনলে আপনি হয়তো অবাক হয়ে যাবেন। আম্বানি পরিবারের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই, কিন্তু নীতা আম্বানির একটি গলার হারের দাম শুনলে আপনার কল্পনাও হার মানতে পারে।
ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানির সংগ্রহে থাকা একটি হারের মূল্য প্রায় ₹৫০০ কোটি! হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়েছেন। এই অবিশ্বাস্য মূল্যের গয়নাটি শুধুমাত্র একটি অলঙ্কার নয়, এটি আম্বানি পরিবারের আকাশচুম্বী ধন-সম্পদের এক জ্বলন্ত প্রতীক।
৫০০ কোটি টাকার বিশালতা
এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ঠিক কতটা, তা হয়তো সাধারণ গণনায় বোঝা কঠিন। তাই একে একটু অন্যভাবে তুলনা করা যাক।
- সোনার পরিমাণে: আজকের বাজারে এই ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে প্রায় ৭০০ কেজি খাঁটি সোনা কেনা সম্ভব। ভাবুন তো, ৭০০ কেজি সোনা দিয়ে কত মানুষের বিয়ের গয়না তৈরি হতে পারে!
- সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকোণ (perspectiva): যেখানে একজন মধ্যবিত্ত মানুষ জীবনের স্বপ্ন পূরণের জন্য কয়েক লক্ষ টাকার হোম লোন বা কার লোন নিয়ে থাকেন, সেখানে একটিমাত্র গলার হারের দাম ৫০০ কোটি টাকা, যা অনেকের কাছেই এক অকল্পনীয় ব্যাপার।
এই তুলনা থেকেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে এই বিলাসবহুল জীবনযাত্রার পার্থক্য কতটা বিশাল।
কল্পনারও অতীত এক জীবনযাত্রা
এই ঘটনাটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, সম্পদ (wealth) এবং বিলাসিতার এমন এক স্তর রয়েছে যা আমাদের সাধারণ কল্পনার সীমানাকেও ছাড়িয়ে যায়। যখন দেশের একটি বড় অংশের মানুষ তাদের দৈনন্দিন খরচ এবং সঞ্চয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হিমশিম খায়, তখন এমন বিপুল পরিমাণ অর্থ শুধুমাত্র একটি শখের জিনিসের জন্য ব্যয় করা হয়।
এটি শুধুমাত্র একটি গয়নার গল্প নয়, এটি দুটি ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে থাকা বিশাল পার্থক্যেরও একটি চিত্র। নীতা আম্বানির এই ৫০০ কোটি টাকার হার আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, তাদের ধন-সম্পদের মান এতটাই আকাশচুম্বী যা সামান্য কল্পনাতেও মাপা প্রায় অসম্ভব।


